বলিউডের ‘গ্রিক গড’ খ্যাত হৃতিক রোশনের সঙ্গে অভিনয়ের সময় পর্দার ‘নো-কিসিং’ নীতি ভেঙেছিলেন দুই প্রথম সারির অভিনেত্রী, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন ও ক্যাটরিনা কইফ। নিজ নিজ ক্যারিয়ারে এই সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক, আলোচনা ও ব্যতিক্রমী নজির তৈরি হয়েছিল।
২০০০ সালে ‘কহো না…প্যায়ার হ্যায়’ দিয়ে বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশের পর থেকেই হৃতিক রোশন অ্যাকশন, রোম্যান্স, থ্রিলার থেকে পিরিয়ড ড্রামা, সব ঘরানায় নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। কাজের শৃঙ্খলা, পর্দার রসায়ন ও সহ-অভিনেতাদের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্য এই সমন্বয়েই তিনি ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম নির্ভরযোগ্য নাম হিসেবে পরিচিত।
এই প্রেক্ষাপটেই আলোচনায় আসে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের সিদ্ধান্ত। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে ‘নো-কিসিং’ নীতিতে অটল থাকা ঐশ্বর্য ‘ধুম ২’ (২০০৬) ছবিতে হৃতিকের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করেন। দৃশ্যটি মুক্তির পর তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়; সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা হয় এবং আইনি নোটিসের খবরও শোনা যায়। পরে অবশ্য ঐশ্বর্য আবার তাঁর আগের নীতিতে ফিরে যান।
অন্যদিকে, ক্যাটরিনা কইফ ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কিছু সীমিত ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের পর স্পষ্টভাবে জানান, এ ধরনের দৃশ্যে তিনি স্বচ্ছন্দ নন। এমনকি ছবির চুক্তিতেও ‘নো-কিসিং’ শর্ত যোগ করার কথা প্রচলিত আছে। তবে ২০১১ সালে ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’য় হৃতিকের বিপরীতে এসে সেই নীতি ভাঙেন তিনি। ছবির একটি চুম্বন দৃশ্য দর্শকমহলে আজও আলোচিত।
পরবর্তীতে ক্যাটরিনা নির্দিষ্ট কিছু ছবিতে ওই নীতি শিথিল করেনরণবীর কাপুরের সঙ্গে ‘জগ্গা জাসুস’, হৃতিকের সঙ্গে ‘ব্যাং ব্যাং’, আদিত্য রায় কাপুরের সঙ্গে ‘ফিতুর’, শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘জব তক হ্যায় জান’ এবং বিজয় সেতুপতির সঙ্গে ‘মেরি ক্রিসমাস’-এ তাঁকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে দেখা গেছে।
সব মিলিয়ে ইন্ডাস্ট্রি-সূত্রের মতে, হৃতিক রোশনের সঙ্গে কাজের স্বাচ্ছন্দ্য, পারস্পরিক আস্থা ও পর্দার রসায়ন, এই উপাদানগুলিই ঐশ্বর্য ও ক্যাটরিনার মতো তারকাদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
২০০০ সালে ‘কহো না…প্যায়ার হ্যায়’ দিয়ে বড়পর্দায় আত্মপ্রকাশের পর থেকেই হৃতিক রোশন অ্যাকশন, রোম্যান্স, থ্রিলার থেকে পিরিয়ড ড্রামা, সব ঘরানায় নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। কাজের শৃঙ্খলা, পর্দার রসায়ন ও সহ-অভিনেতাদের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্য এই সমন্বয়েই তিনি ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম নির্ভরযোগ্য নাম হিসেবে পরিচিত।
এই প্রেক্ষাপটেই আলোচনায় আসে ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের সিদ্ধান্ত। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে ‘নো-কিসিং’ নীতিতে অটল থাকা ঐশ্বর্য ‘ধুম ২’ (২০০৬) ছবিতে হৃতিকের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করেন। দৃশ্যটি মুক্তির পর তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়; সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা হয় এবং আইনি নোটিসের খবরও শোনা যায়। পরে অবশ্য ঐশ্বর্য আবার তাঁর আগের নীতিতে ফিরে যান।
অন্যদিকে, ক্যাটরিনা কইফ ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কিছু সীমিত ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের পর স্পষ্টভাবে জানান, এ ধরনের দৃশ্যে তিনি স্বচ্ছন্দ নন। এমনকি ছবির চুক্তিতেও ‘নো-কিসিং’ শর্ত যোগ করার কথা প্রচলিত আছে। তবে ২০১১ সালে ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’য় হৃতিকের বিপরীতে এসে সেই নীতি ভাঙেন তিনি। ছবির একটি চুম্বন দৃশ্য দর্শকমহলে আজও আলোচিত।
পরবর্তীতে ক্যাটরিনা নির্দিষ্ট কিছু ছবিতে ওই নীতি শিথিল করেনরণবীর কাপুরের সঙ্গে ‘জগ্গা জাসুস’, হৃতিকের সঙ্গে ‘ব্যাং ব্যাং’, আদিত্য রায় কাপুরের সঙ্গে ‘ফিতুর’, শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘জব তক হ্যায় জান’ এবং বিজয় সেতুপতির সঙ্গে ‘মেরি ক্রিসমাস’-এ তাঁকে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে দেখা গেছে।
সব মিলিয়ে ইন্ডাস্ট্রি-সূত্রের মতে, হৃতিক রোশনের সঙ্গে কাজের স্বাচ্ছন্দ্য, পারস্পরিক আস্থা ও পর্দার রসায়ন, এই উপাদানগুলিই ঐশ্বর্য ও ক্যাটরিনার মতো তারকাদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
তামান্না হাবিব নিশু